Saturday, January 5, 2019

Ssc English 2nd paper Full suggetion and mark distribution 2019

Ssc English 2nd paper Full suggetion and mark distribution 2019

এসএসসি সাজেশন ২০১৯ পরিক্রমায় আজ ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র সম্পূর্ন সাজেশন দেওয়া হবে।

ইংরেজি ২য় পত্র মোট ১০০ নম্বরের হয়ে থাকে।তার মধ্যে ৬০ গ্রামার এবং ৪০ কম্পজিশন পার্ট।
আমরা কমপজিশন ৪০ মার্ক এর ফুল সাজেশন দেব।আর গ্রামার সাইট টা তোমাদের বাড়িতে ভালো ভাবে প্রেকটিকেলি প্রিপারেশন নিতে হবে।কারন গ্রামারে সাজেশন এর আশা করাটা এক পর্যায়ের বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

Now see the below marks distribution.

Grammar (Question No. 1-11): 60 marks

01. Prepositions/Articles/Parts of Speech(with clues)…………….. 5 marks
02. Prepositions/Articles/Parts of Speech (without clues)……… 5 marks
03. Table ……………………………………………. 5 marks
04. The right form of verbs ……………. 5 marks
05. Narration/Indirect speech ……….. 5 marks
06. Transformation ………………………… 10 marks
07. Completing Sentences ……………… 5 marks
08. Add Suffix or Prefix ……………………. 5 marks
09. Tag Questions …………………………….. 5 marks
10. Sentence Connectors/Linking Words ……. 5 marks
11. Punctuation and Capitalization ………………. 5 marks

Composition (Question No. 12-15): 40 marks

01. Writing CV ……………………………………. 8 marks
02. Application/E-mail writing ………. 10 marks
03. Paragraph Writing …………………….. 10 marks
04. Short Composition ……………………. 12 marks 


★★★Composition part Suggetion★★★


CV Writing (Question No – 12)

01. For the post of Public Relation Officer.
02. For the post of a System Analyst.
03. For the post of Senior Computer Operator.
04. A CV with cover letter for the post of Teacher.
05. For the post of Marketing Manager.
06. For the post of a Junior Officer in Bank.
07. For the post of an Editor.

Application Writing (Question No – 13)

Application for –
01. Study tour/excursion.★★
02. T.C.★★
03. Setting up a computer club.★★
04. A seat in the school hostel.★
05. Increasing library facilities.★★
06. A testimonial.★
07. A full-free studentship/ poor fund.★★
08. Setting up a common room.★★★
09. Short leave/early leave.★
10. Sinking a tube well.★
11. Repairing a damaged road/bridge.★★
12. Remission of delay fine.★★★
13. Organizing cultural function.★
14. Relief for the flood-affected people.*
15. Opening a charitable dispensary.

Email Writing (Question No – 13)

01. Congratulation to a friend on his brilliant success.★★
02. Inviting a friend to join Birthday PArty/Thanking for a gift on your birthday party.★★
03. Congratulating to your friend on his achievement.★
04. Preparation of coming exam.★★★
05. Inviting a friend to join the picnic.★★
06. Return the book.★
07. COndolence of his father’s/ mother’s death.★★
08. Annual prize giving a ceremony.★
09. Inviting him to attend the wedding ceremony.★★
10. Asking the suggestion.★
11. For sending the lessons taught in the last class.★
12. For taking steps against antisocial activities.★★

Paragraph Writing ( Question No – 14)

01. Tree Plantation.★★
02. A day laborer.★★★
03. A school Magazine.★
04. A book fair.★
05. Traffic JAm.★★
06. A tea stall.★★★
07. Environment pollution.★★★
08. The life of a farmer.★★
09. A street accident.★
10. Our National Flag.★
11. A school Library.★★★
12. A winter morning.★★
13. Mobile phone/Smartphone.★
14. A street hawker.★
15. Climate change.★★
16. A bus station/A railway station.★
17. The Postman.★
18. Your Hobby.★★★
19. May Day.★

Composition Writing (Question No – 15)

01. Wonders of Modern Science/Science in Everyday Life.★★★
02. Your aim in life/Your future plan of life.★★
03. The game you like most.★★★
04.Newspaper.★★
05. Digital Bangladesh.★
06. The duties of a student.★★
07. Computer/Television.★
08. Physical Exercise.★★
09. Tree plantation.★
10. Population problem of Bangladesh.★★★
11. Discipline.★★
12. A journey by boat/Train.★★★
13. My Childhood Memories.★★
14. The season you like most.★★

আজ এই পর্যন্ত। আরো সাজেশন পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ।

Friday, January 4, 2019

মহাবিশ্ব নক্ষত্রের আলোর পরিমান আবিষ্কার!!

মহাবিশ্ব নক্ষত্রের আলোর পরিমান আবিষ্কার!!

প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর আগে যখন মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল,ঠিক তকন থেকেই নক্ষত্র অর্থাৎ তারাদের উৎপত্তি। মহাবিশ্বের দুই ট্রিলিয়ন গ্যালাক্সিতে তারার সংখ্যা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন।

এ প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা বের করতো পেরেছেন নক্ষত্র বা তারা ঠিক কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল  এবং বিগত সময় ধরে ঠিক কতখানি আলো উৎপন্ন হয়েছে তারাগুলো থেকে।

বিজ্ঞানীদের এ গণনায় মূল ভূমিকা রাখে নাসার একটি বিশেষ ধরনের টেলিস্কোপ 'ফেরমি গামা-রে স্পেস টেলিস্কোপ '। এ দূরবীক্ষণ যন্রটি মহাবিশ্বে উৎপন্ন সকল আলো সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের সঠিক ধারণা এনে দেয়।

তবে সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন ব্যাপারটা একটু কঠিনই বটে। কেননা আলোককণা বিকিরণের সংখ্যাটি এতই বড় যে, বিশাল আকারের এ সংখ্যাটি একসাথে লিখতেও অনেক বেগ পেতে হয়েছে তাদের ।সংখ্যাটি লিখতে 'চার' এরপর ৮৫টি শূন্য লিখতে হয়েছে।                               
Ssc Suggestion 2019 || English 1st paper -Last part.

Ssc Suggestion 2019 || English 1st paper -Last part.


ইংরেজী ১ম পত্র ১০-১২ নং প্রশ্নের সাজেশন দেওয়া হলো।প্রতিদিন সাজেশন দেওয়া হবে।


Chart/Graph Writing (Question No- 10)

A graph on
01. Literacy rate.★
02. Mobile users, non-mobile users.★
03. The population growth rate of Bangladesh.★★★
04. The percentage of male and female students in Bangladesh.★
05. Importance and usages of English.★
06. The number of people living below the poverty line.★★
07. Pastime activities of students in Bangladesh.★★
08. The choice of the profession of educated people.★★
09. Total candidates in SSC exam 2019.★★
10. A pie chart on the time allocation of student daily activities.★★★

Letter Writing (Question No- 11)

01. Congratulating for brilliant success.★★
02. Describing an accident.★★★
03. About preparation for coming exam.★
04. To join a birthday party.★
05. About the plan after the SSC exam.★★
06. About the importance of learning English.★★★
07. About the importance of reading Newspaper.★★
08. Consoling for fathers/mothers death.★★
09. How to improve English.★★
10. About the annual prize giving the ceremony.★★
11. Food and food habits in Bangladesh.★
12. About co-curricular activities of your school.★
13. Thanking for hospitality.★★
14. To join a picnic/describing a picnic.★★
15. About your aim in life.★★

Dialogue Writing (Question No-12)

SSC English 1st Paper dialogue writing short suggestion.
01. Uses and abuses of mobile phone/internet.★★★
02. The necessity of tree plantation.★★
03. Opening a bank account.★
04. Road accident.★★★
05. Environment pollution.★★
06. Salesman and customer.★
07. Importance of learning English.★★
08. Aim in life.★★
09. The bad effect of drug addiction.★★★
10. Benefits of reading newspaper.★★
11. Effects of deforestation.★
12. Buying a book.★★
13. Value of time/proper use of time.★★
14. Advantages and disadvantages of village life and town life.★★
15. The bad effect of smoking.★★

এরপর ইংরেজি ২য় পত্র দেওয়া হবে। আমাদের সাথেই থাকুন। 
Bpl 2019 Team and Squad

Bpl 2019 Team and Squad

২০১৯ বিপিএলের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচী প্রকাশ


বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০১৯ এর চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। শুধু সূচিই চূড়ান্তই করেনি, বিপিএলের কবে কোথায় কোন ম্যাচ তা প্রকাশও করেছে।বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স এবং চিটাগং ভাইকিংসের ম্যাচ দিয়ে আগামী ৫ জানুয়ারি পর্দা উঠছে ষষ্ঠ আসরের। চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম (ঢাকা), সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম (সিলেট) এবং জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম (চট্টগ্রাম)- এই তিন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে আসরের ম্যাচগুলো।
পাঁচ পর্বের অনুষ্ঠিত হবে এবারের বিপিএল। ঢাকা পর্ব দিয়ে আসরের উদ্বোধনের পর সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সবশেষে ফের ঢাকা পর্ব দিয়ে পর্দা নামবে।
এবারের আসরের প্রতি ‘ম্যাচ-ডে’তে দু’টি করে ম্যাচ আয়োজন করা হবে। শুক্রবার ব্যতিত দিনের প্রথম খেলা দুপুর ১২.৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে যেখানে রাতের খেলাটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৫.২০ মিনিট থেকে। আর ছুটির দিন শুক্রবারে দিনের প্রথম খেলা দুপুর ২টায় এবং রাতের খেলা সন্ধ্যা ৭টায়।
চলতি বছরের অক্টোবরে মাঠে গড়ানোর কথা ছিল বিপিএলের ষষ্ঠ আসর। ৫ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের সম্ভাব্য সূচিও নির্ধারণ করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কিন্তু একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে পরিবর্তন এসেছে টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ আসরের সূচিতে।
অক্টোবরের পরিবর্তে বিপিএলের ষষ্ঠ আসরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ আসরের।
বিপিএল-২০১৯ এর পূর্ণাঙ্গ সূচি:
ঢাকা পর্ব, প্রথম ধাপ; শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
তারিখ                          ম্যাচ
৫ জানুয়ারি   রংপুর রাইডার্স – চিটাগং ভাইকিংস।
৫ জানুয়ারি     ঢাকা ডায়নামাইটস – রাজশাহী কিংস।
৬ জানুয়ারি     কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স – সিলেট সিক্সার্স।
৬ জানুয়ারি    খুলনা টাইটান্স – রংপুর রাইডার্স।
৮ জানুয়ারি     ঢাকা ডায়নামাইটস – খুলনা টাইটান্স
৮ জানুয়ারি     কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স – রংপুর রাইডার্স।
৯ জানুয়ারি      সিলেট সিক্সার্স – চিটাগাং ভাইকিংস।
৯ জানুয়ারি      খুলনা টাইটান্স – রাজশাহী কিংস।
১১ জানুয়ারি     ঢাকা ডায়নামাইটস – রংপুর রাইডার্স।
১১ জানুয়ারি     কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স – রাজশাহী কিংস।
১২ জানুয়ারি     চিটাগং ভাইকিংস – খুলনা টাইটান্স।
১২ জানুয়ারি     ঢাকা ডায়নামাইটস – সিলেট সিক্সার্স।
১৩ জানুয়ারি     রংপুর রাইডার্স – রাজশাহী কিংস।
১৩ জানুয়ারি     চিটাগং ভাইকিংস – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
সিলেট পর্ব, দ্বিতীয় ধাপ;  সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
১৫ জানুয়ারি     খুলনা টাইটান্স – রাজশাহী কিংস।
১৫ জানুয়ারি     সিলেট সিক্সার্স – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
১৬ জানুয়ারি     ঢাকা ডায়নামাইটস – রাজশাহী কিংস।
১৬ জানুয়ারি     সিলেট সিক্সার্স – রংপুর রাইডার্স।
১৮ জানুয়ারি     সিলেট সিক্সার্স – ঢাকা ডায়নামাইটস।
১৮ জানুয়ারি     খুলনা টাইটান্স – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
১৯ জানুয়ারি      সিলেট সিক্সার্স – রংপুর রাইডার্স।
১৯ জানুয়ারি      চিটাগং ভাইকিংস – খুলনা টাইটান্স।
ঢাকা পর্ব, তৃতীয় ; শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
২১ জানুয়ারি      কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স – রাজশাহী কিংস।
২১ জানুয়ারি      ঢাকা ডায়নামাইটস – চিটাগং ভাইকিংস।
২২ জানুয়ারি      খুলনা টাইটান্স – রংপুর রাইডার্স।
২২ জানুয়ারি      ঢাকা ডায়নামাইটস – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
২৩ জানুয়ারি      চিটাগং ভাইকিংস – রাজশাহী কিংস।
২৩ জানুয়ারি       খুলনা টাইটান্স – সিলেট সিক্সার্স।
চট্টগ্রাম পর্ব, চতুর্থ ধাপ; জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম।
২৫ জানুয়ারি     সিলেট সিক্সার্স – রাজশাহী কিংস।
২৫ জানুয়ারি     চিটাগং ভাইকিংস – রংপুর রাইডার্স।
২৬ জানুয়ারি     সিলেট সিক্সার্স – খুলনা টাইটান্স।
২৬ জানুয়ারি     চিটাগং ভাইকিংস – রাজশাহী কিংস।
২৮ জানুয়ারি     খুলনা টাইটান্স – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
২৮ জানুয়ারি      ঢাকা ডায়নামাইটস – রংপুর রাইডার্স।
২৯ জানুয়ারি      চিটাগং ভাইকিংস – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
২৯ জানুয়ারি      রংপুর রাইডার্স – রাজশাহী কিংস।
৩০ জানুয়ারি      চিটাগং ভাইকিংস – ঢাকা ডায়নামাইটস।
৩০ জানুয়ারি      সিলেট সিক্সার্স – রাজশাহী কিংস।
ঢাকা পর্ব, শেষ ধাপ ; শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
১ ফেব্রুয়ারি          ঢাকা ডায়নামাইটস – কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
১ ফেব্রুয়ারি          চিটাগং ভাইকিংস – সিলেট সিক্সার্স।
২ ফেব্রুয়ারি          কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স – রংপুর রাইডার্স।
২ ফেব্রুয়ারি          ঢাকা ডায়নামাইটস – খুলনা টাইটান্স।
৪ ফেব্রুয়ারি           এলিমিনেটর (পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় দল বনাম চতুর্থ দল)।
৪ ফেব্রুয়ারি           কোয়ালিফায়ার ১ (পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দল বনাম দ্বিতীয়স্থানে থাকা দল)
৬ ফেব্রুয়ারি           কোয়ালিফায়ার ২ (কোয়ালিফায়ার ১ পরাজিত বনাম এলিমিনেটর জয়ী।)
৮ ফেব্রুয়ারি           ফাইনাল (কোয়ালিফায়ার ১ জয়ী বনাম কোয়ালিফায়ার ২ জয়ী)।
৯ ফেব্রুয়ারি           রিজার্ভ ডে (ফাইনাল)।

Thursday, January 3, 2019

চাইলেও আর গাড়িতে গুমানো যাবে না!

চাইলেও আর গাড়িতে গুমানো যাবে না!

নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কিংবা ঘুমিয়ে গাড়ি চালালে যাত্রী ও গাড়ির মালিকের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে। এমনকি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকলে স্টার্ট হবে না গাড়ি।
‘ড্রাইভার অ্যান্টি স্লিপ অ্যান্ড অ্যালকোহল অ্যালার্ম ডিটেক্ট’ নামে একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছানোয়ার হোসেন। অবিশ্বাস্য এ প্রযুক্তি আবিষ্কারের ফলে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কিংবা ঘুমিয়ে গাড়ি চালানোর দিন শেষ!
দীর্ঘ এক বছর ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সফল হন তিনি। তার এ প্রযুক্তি প্রথমে কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত স্কিল কম্পিটিশনে এবং পরে রংপুরে বিভাগীয় স্কিল কম্পিটিশনে প্রথম স্থান অধিকার করে। ছানোয়ারের এ সাফল্যে খুশি সহপাঠী ও শিক্ষকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যেকোনো গাড়ির ড্যাশবোর্ডের সঙ্গে কনসুলিং করে সম্পৃক্ত করা যাবে আইবিলিং ও অ্যালকোহল সেন্সর। চালকের সামনে এ আইবিলিং সেন্সর ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে চালককে ডিটেক্ট করবে।
পাশাপাশি গাড়ির সেলফের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে ম্যাগনেটিক রিলে। যা ঘ্রাণ সংবেদনশীল। চালক নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য ব্যবহার করলে সার্কিট অন হবে না। ফলে গাড়িও স্টার্ট হবে না। এ সেন্সরের সঙ্গে সর্বোচ্চ তিনটি মোবাইলে ডেটাসেট করা থাকবে। গাড়ি চলন্ত অবস্থায় চালক নেশা গ্রহণ করলে বা ঘুমিয়ে পড়লে তিন সেকেন্ডের মধ্যে সতর্কবার্তা মোবাইলে বেজে উঠবে। ফলে গাড়ির মালিক, ম্যানেজার বা সুপারভাইজার চালককে সতর্ক করতে পারবেন। এ অ্যালার্ম সিস্টেম দূরপাল্লার গাড়ির ভেতরেও সংযোগ করা যাবে।
এমন অবিশ্বাস্য প্রযুক্তি উদ্ভাবনকারী ছানোয়ার হোসেনের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দহিলা বড়হাট পাড়ায়। তার বাবা আব্দুল আজিজ বাসচালক। তার বড় দুই ভাইও গাড়ির চালক। মা ছানোয়ারা বেগম মারা গেছেন। কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী ছানোয়ার হোসেন।

এ প্রযুক্তি নিয়ে কথা হয় ছানোয়ার হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, পরিবারে বাবা ও দুই ভাই গাড়িচালক। ড্রাইভিংয়ের বিষয়টি মাথায় রেখে আমার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা যায় কিনা সে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করি। একপর্যায়ে দুর্ঘটনা রোধে একটি প্রযুক্তি প্রকল্প হাতে নিই। শিক্ষক ও কয়েকজন সহপাঠীর সহযোগিতায় অবশেষে ‘ড্রাইভার অ্যান্টি স্লিপ অ্যান্ড অ্যালকোহল অ্যালার্ম ডিটেক্ট’ প্রযুক্তি আবিষ্কার করি। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে শুধু দুর্ঘটনাই কমবে না; সেই সঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটার আগেই আমরা কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারব।
কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি বিভাগের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর ও ছানোয়ারের শিক্ষক সুমন কুমার সাহা বলেন, ছানোয়ার হোসেনের আবিষ্কৃত ‘ড্রাইভার অ্যান্টি স্লিপ অ্যান্ড অ্যালকোহল অ্যালার্ম ডিটেক্ট’ প্রযুক্তি আসলেই অবিশ্বাস্য। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে এ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে রংপুর বিভাগীয় স্কিল কম্পিটিশনে এ প্রযুক্তি স্বীকৃতি পেয়েছে।
সুমন কুমার সাহা আরও বলেন, আমাদের ইনস্টিটিউটে ছানোয়ারের মতো অনেক প্রতিভাবান শিক্ষার্থী রয়েছে। যারা নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে চায়। কিন্তু একটি প্রজেক্ট তৈরি করতে যে ব্যয় হয়, তাদের পক্ষে সেটা সংকুলান করা সম্ভব হয় না। এ ব্যাপারে সরকার বা অন্য কোনো সংস্থা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালে আরও নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে পারবে আমাদের শিক্ষার্থীরা।
এ প্রযুক্তির পজেটিভ দিক বিবেচনা করে কুড়িগ্রাম জেলা বাস ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদুজ্জামান রাছেল বলেন, এ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সড়কে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতের পাশাপাশি মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা সম্ভব। সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ছানোয়ার আগামীতে এ প্রযুক্তির উন্নয়নসহ আরও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পারবে।
স্কিল কম্পিটিশনে ছানোয়ারের প্রযুক্তি দেখে মুগ্ধ কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন বলেন, গাড়ির চালকরা এ প্রযুক্তি ব্যবহার করলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে। চালকরা সতর্ক হবেন। জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ছানোয়ার হোসেনের আবিষ্কৃত এ প্রযুক্তি আসলেই অবিশ্বাস্য।
ভূতের ফেসবুক আইডি [গল্প] । সৈয়দা নাদিয়া হক

ভূতের ফেসবুক আইডি [গল্প] । সৈয়দা নাদিয়া হক

আজ নাকি রাজামশাইয়ের মেজাজ একদম ভালো নেই। তিনি সবাইকে ডেকেছেন। বল কি মন্দা ভূত! এত খুব খারাপ কথা। ভূত রাজার মেজাজ খারাপ হলে তো আমাদের রাজ্যের জন্য একেবারেই ভালো না। হ্যাঁগো, পেঁচাভূত আমিও তাই ভাবছি। তা তুমি যাচ্ছ কোথায়? ঐতো রাজামশাই সবাইকে ডেকেছেন সেখানেই যাচ্ছি। তবে চল দেখি কী হয়েছে ভূত রাজার।
ভূতেরা সব, আজ আপনারা আমার ডাকে উপস্থিত হয়েছেন তার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। আপনারাতো সবাই জানেন যে, আমরা আজ পর্যন্ত কেউ মানব সমাজের কারো সামনে দেখা দেইনি এবং তাদেরকে কখনো অদৃশ্যভাবে চমকেও দেইনি। কারণ এটা আমাদের সমাজে নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাদের রাজ্যে এক সাংবাদিকের নতুন খবর দেখেতো আমি হতবাক। সে জানতে পেরেছে মানবসমাজে প্রত্যেক মানুষ আমাদের খুব কুৎসিত বলে মনে করে আর সে সমাজে আমরা খুবই বিখ্যাত। কিন্তু সেখানে অত্যন্ত বিশ্রী ও কুৎসিত হিসেবে বিখ্যাত। আমাদের না দেখেও তারা নিজের মতো করে আমাদের নিয়ে গল্প তৈরি করে এবং খুব ভয় পায়।
– বলে কিরে! আমরা নাকি মানবসমাজে এত বিখ্যাত।
– হে রে তাইতো শুনলাম।
– কিন্তু আমরা ভূতেরা কি এতই বিশ্রী? ওরা এরকম মনে করে কেন? আমরা দেখতে মোটামুটি ভালোই অন্তত ভয়ঙ্কর নই। আমরা তো কারো ক্ষতি করার কথা ভাবতেই পারি না। বরং মানুষইতো নিজেদের ক্ষতি করতেও দ্বিধাবোধ করে না। ভয়ঙ্করতো তারা।
– না রে মন্দা, সব মানুষ একরকম নয়। অনেক ভালো মানুষও আছে আর তারা খুব ভালো।
– আরে আপনারা চুপ করেন, এভাবে সবাই নিজেদের মধ্যে কথা বললে কিভাবে হবে। আমিতো আজ আপনাদের সভায় ডেকেছি এ সমস্যার একটা সমাধান করতে। আপনারাই বুদ্ধি দিন কিভাবে এসব ধারণাকে আমরা ভুল প্রমাণিত করতে পারি?
– মহারাজ, যদি মানবসমাজে রাস্তায় রাস্তায় আমরা আমাদের ছবিসহ পোস্টার লাগিয়ে লিখে দেই যে আমরা ভূত। না, না, না, তা হয় না। মানবজাতি বড়ই সন্দেহপ্রবণ, এরা কিছুতেই এটা বিশ্বাস করবে না।
– তাহলে তাদের বিশ্বাস করাতে হলেতো আমাদের দেখা দিতে হবে।
– এটাই সবচেয়ে ভালো। কিন্তু কাকে দেখা দেবো আমরা? তারা তো আমাদের পেয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করার চেষ্টা করবে।
– কিন্তু মহারাজ, আমাদের দিয়ে তাদের কী স্বার্থ সিদ্ধি হবে?
– আরে হবে হবে খু-ব স্বার্থ সিদ্ধি হবে। কিন্তু সবার স্বার্থ আবার এক নয়। একেক জনের একেক রকম স্বার্থ। এই যেমন ধর, একজন বিজ্ঞানী যদি আমাদের পায় তাহলে বোতলে ভরে রেখে দেবে আর পরীক্ষা করে দেখবে আমরা কী দিয়ে তৈরি। আবার সাহিত্যিকের কাছে গেলে তারা আমাদের জীবনপ্রণালি জানতে চাইবে বই লেখার জন্য। একজন সাংবাদিক হলে তো চেষ্টা করবে একটা ফাটাফাটি নিউজ তৈরি করার।
– মহারাজ, আপনি তো মানবজাতি সম্পর্কে অনেক কিছু জানেন।
– তা তো জানতেই হবে। নইলে আর রাজা হলাম কিভাবে? তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আমি প্রচুর লেখাপড়া করেছি। যাই হোক এবার কাজের কথায় আসা যাক। কী করে আমরা মানবসমাজে আমাদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারি?
– মহারাজ, আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে। বর্তমানে মানবসমাজে একটি জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম হলো ফেসবুক। এখানে আমরা আইডি খুলে আমাদের সম্পর্কে সকল তথ্য এবং ছবি দিতে পারি।
– হে হে আমরা শুনেছি ফেসবুকের কথা। এটাই ভালো, এটাই ভালো হবে।
– ঠিক আছে, আপনারা শান্ত হউন। তবে ডাব্বা ভূত তুমি তাই কর। একটা ফেসবুক আইডি খুল। আর সেখানে বিভিন্ন ভূতের সাথে সেলফি তুলে পোস্ট দিবে। আর হ্যাঁ শোন, কভার ফটো হবে এই রাজ্যে দাঁড়িয়ে আমার সাথে তোলা সেলফি। আর প্রোফাইল পিকচার হবে, তোমার নিজের।
– ঠিক আছে মহারাজ, আমি তাই করবো।
– কী খবর ডাব্বা ভূত? বেশ ক’দিন তো হলো, কেমন চলছে ফেসবুক আইডি? মানুষ দেখে কী বলছে?
– রাজামশাই কী আর বলবো, সবাই শুধু কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞেস করছে, ‘এটা কোন্ সফ্টওয়ার? এটা কোন্ কার্টুন?’ আবার কেউ বলছে, ‘ফাইজলামি করার আর জায়গা পায় না?’ আর সবাই শুধু হা-হা রিয়েক্ট দিচ্ছে।
– তুমি চেষ্টা করে যাও একদিন হয়তো ঠিকই বুঝবে।
– মহারাজ, এতদিন হয়ে গেল কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। তারা বিশ্বাস তো করছেই না বরং আমরা এখন ফেসবুকে তাদের হাসির পাত্র বলে বিবেচিত। আমরা যে সত্যিকারের ভূত এটা কিছুতেই বিশ্বাস করছে না। আর কী হয়েছে জানেন?
– কী হয়েছে?
– আমি আমার আইডিতে ঢুকতেই পারছি না। কোন মানুষ আমার আইডি হ্যাক করে নিয়েছে। এখন কী করি বলুনতো?
– ধুর আর ভালোই লাগে না। মানবজাতি সত্যিই বড় ভয়ঙ্কর আমাদের আর কোন দরকার নেই তাদের বোঝানোর। তারা তাদের বিশ্বাস নিয়েই থাকুক। এভাবেই যুগ যুগ ধরে মানুষেরা ভূতদের ভয় পেয়ে যাবে।
– ঠিক আছে মহারাজ, তবে তাই হোক।